নগরকণ্ঠ ডেস্ক
- বৃহস্পতিবার ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ /
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দেওয়া হলেও বিএনপি ভাবছে এটি সরকারের কৌশল। বিএনপিকে অপ্রস্তুত রেখে ২০২৩ সালের অক্টোবরে জাতীয় নির্বাচন করা হতে পারে। এ জন্য বিএনপিও দ্রুত আন্দোলন শুরুর কথা ভাবছে। সে অনুযায়ী দলের পরিকল্পনা তৈরি হচ্ছে।
বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের এমন ধারণার কথা জানা গেছে। সম্প্রতি বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকেও এ বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে সংবিধানের ১২৩(৩) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘মেয়াদ অবসানের কারণে সংসদ ভাঙিয়া যাইবার ক্ষেত্রে ভাঙিয়া যাইবার পূর্ববর্তী নব্বই দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।’ সে অনুযায়ী অক্টোবরের প্রথমার্ধ থেকে আগামী জানুয়ারির প্রথমার্ধের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে হবে।
বিএনপি নেতারা বলছেন, স্বাভাবিকভাবে সরকারের শেষ সময়ে বিরোধী দলগুলো সর্বাত্মক আন্দোলনে নামে। তাঁদেরও সেই রকম প্রস্তুতি আছে। তবে বিভিন্ন সূত্র থেকে বিএনপির কাছে খবর এসেছে, সরকার জানুয়ারির তিন মাস আগে অর্থাৎ আগামী অক্টোবরে নির্বাচনের আয়োজন করতে পারে। ক্ষমতাসীন মহল মনে করে, এতে বিএনপি অপ্রস্তুত থাকবে। দলটির আন্দোলন পরিকল্পনাও ভেস্তে যাবে।
দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বিএনপি নেতারাও সরকারের এমন পরিকল্পনা থাকতে পারে বলে মনে করেন। দলের নীতিনির্ধারকরা বলছেন, এক বছর আগেই নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করে দেওয়ার ব্যাপারে বিশেষ উদ্দেশ্য থাকতে পারে। তাঁরা বলেন, সরকার কখনোই চাইবে না বিএনপি আন্দোলনের প্রস্তুতি রাখুক।